Wednesday

ধ্বজভঙ্গ রোগের চিকিৎসা বাড়িতে বসেই

ধ্বজভঙ্গ

ধ্বজভঙ্গ পুরুষের জন্য একটি মারাত্মক, কঠিন ও জটিল রোগ। ধ্বজভঙ্গের লক্ষনে যা যা পাওয়া যায় তা হলো :- ইন্দ্রিয় শৈথিল্য, পুরুষত্বহীন, স্ত্রী গমনে অক্ষমতা, শরীরের দুর্বলতা হয়। দুই মাসেরও অধিক সময় যাবৎ যৌন ক্রিয়ার প্রতি কোন আগ্রহ অনুভব না করা। যৌন মিলন এড়িয়ে যাওয়া, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন মিলনের বাসনা অত্যন্ত কম অনুভব করা, কিংবা যৌন মিলনের প্রতি দুঃশ্চিন্তা বা উদ্বেগ থাকা। কখনও কখনও আগেই বীর্যপাত ঘটা (স্বামীর আগে স্ত্রীর বীর্যপাত ঘটানোর উপায় জেনে নিন), যৌন মিলনের সময় ব্যথা হওয়া, অক্ষমতা কিংবা তীব্র যৌন সুখ পেতে অক্ষমতা ইত্যাদি। ধ্বজভঙ্গ রোগ কি  বিস্তারিত আরো জানতে লিংকটা চেক করুন। অন্যদিকে মহিলাদেরও যৌন দুরবলতা, যৌনকর্মে ‍অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে।



ধ্বজভঙ্গ রোগের ঔষধ আপনি আপনার বাড়িতে বসেই নিজের হাতে বানাতে পারেন। জেনে নিন কি কি উপকরণ লাগবে এবং কিভাবে এটি তৈরি করবেন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

শতমূলী দুই তোলা, দুধ ষোল তোলা ও পানি চোষট্টি তোলা একত্রে আগুনে জাল দিয়ে ষোল তোলা থাকতেই নামাবে। এক তলা ওষুধ দুই থেকে তিন চামচ চিনি সেবন করবে। এ ওষুধ বছরে একবার ব্যবহার করবে। এটা সেবনে কোনো ইন্দ্রিয় শক্তি দুর্বল হতে পারে।
জিরাকেরমানী, সোওয়াবাকেলা, চিনি পিষে জৈতুন তৈল আর বাবুনার তেলে মিশ্রিত করে মলম তৈরি করবে। এরপর ঐ মলম অল্প আগুনে গরম করে প্রলেপ দিয়ে পট্টি বেঁধে রাখবে।
আনারের পাতা এক তোলা, মেহদির পাতা এক তোলা , নিম পাতা এক তোলা, সোডা এক তোলা, এক সঙ্গে মিশ্রিত করে ফাকি করে খাবে।
মাকাল ফলের শাস সাতবার পানিতে ধৌত করে আধা পোয়া আটার সাথে দুই ছটাক চিনি দিয়ে হালুয়া প্রস্তুত করে দৈনিক সকালে এক তোলা পরিমাণ সেবন করবে।
প্রথমে পরিমাণ মত একটা পান নিবে। উক্ত পানে খাঁটি ঘি মাখিয়ে আগুনে গরম দিবে। পান গরম অবস্থায় লিঙ্গে পেচিয়ে বেঁধে রাখবে এবং সকালে খুলে ফেলবে। কমপক্ষে এভাবে ২১ দিন বেঁধে এবং সকালে খুলে ফেলবে। এতে অবশ্যই লিঙ্গের উত্তেজনা ফিরে আসবে। এ সময় সকালের ভিজানো ছোলাবুট, মাখন এবং পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খাবে।


স্বামী ধ্বজভঙ্গ হলে ঐ দম্পতি অন্যের ঔরসে সন্তান নিলে পরবর্তীতে সংসার জীবনে সমস্যা হবে কি না? পড়ুন এখানে

যে সব আমে বীজ হয় না বা আটি হয় নি, এরকম আম ছোট ছোট করে কেটে রোদে শুকিয়ে গুড়ো করে ভালোভাবে ছাকবে। উক্ত গুড়ো এক তোলা পরিমাণ সমপরিমাণ আখের গুড়ের সাথে মিশিয়ে এক সপ্তাহ সকালে খালি পেটে সেবন করলে যাবতীয় ইন্দ্রীয় দোষ ভালো হয়ে যাবে।
দৈনিক একটি করে কবুতরের বাচ্ছা, লঙ্কা ছাড়া সামান্য গরম মসল্লা ও লবন মেখে ঘি-এ ভেজে রাতে শয়নকালে ভক্ষণ করবে। ২ থেকে ৩ সপ্তাহ নিয়মিত তা ভক্ষণ করলে ধ্বজভঙ্গ রোগ নিশ্চয় আরোগ্য হবে।
চল্লিশটি খোরমা ফল দানা ফেলে আধা সের পরিমাণ ঘি-এ ভেজে আধা সের মধুতে খেলে ধবংভঙ্গ রোগ আরোগ্য হবে।
আফুলা শিমুল গাছের মূলের ছাল বাতাসে শুকিয়ে চূর্ণ করে ১ ছটাক চূর্ণ করে ১ ছটাক পরিমাণ মধুর সাথে মেখে সমপরিমাণ ১৭টি বটিকা বানাবে। দৈনিক সকালে ১টি করে বটিকা ঠাণ্ডা পানির সাথে সেবন করলে ধবংজঙ্গ রোগ আরোগ্য হবে।
যারা যৌন ক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে এলেছেন, পুরুষাঙ্গ দুর্বল বা নিস্তেজ হয়ে গেছে (পেনিস সহজে বড়, মজবুত ও মোটা করার উপায় কি?)। তাদের জন্য একটি চমকপ্রদ ওষুধ হল, একটি পাকা বেল ভাঙ্গার পর ভিতরে কতগুলো লম্বা লম্বা আঠাল কোষ পাওয়া যাবে। আমরা তাকে বিচি বলে জানি। উক্ত বিচি মূল আঠার সাথে সমপরিমাণ পাকা সবরি কলা নিয়ে ভালোভাবে চটকায়ে পুরুষাঙ্গে প্রলেপ দিয়ে একটি পান দিয়ে লিঙ্গ পেচিএ দৈনিক দুই ঘণ্টা বেঁধে রাখবে। এভাবে তিন থেকে চার সপ্তাহ ব্যবহার করলে দুর্বল পুরুষাঙ্গ অতি তাড়াতাড়ি সতেজ ও সবল হয়ে উঠবে।

সঙ্গম অবস্থায় স্ত্রীর যোনীর দিকে নজর দেয়া যাবে কি না ইসলাম কি বলে?

সঙ্গম

প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে আজকের প্রশ্নঃ সঙ্গম অবস্থায় স্ত্রীর যোনীর দিকে নজর দেয়া যাবে কি না?


উত্তরঃ মনের সূক্ষ্মবৃত্তি মানুষকে সকল জন্তুদের থেকে অনেকখানি উন্নত করেছে। প্রেম হলো মানুষের সেই মানসিক বৃত্তির পরাকাষ্ঠা। সঙ্গম হলো সেই প্রেমের মূল্যদান। প্রেমে অভিষিক্ত হয়ে নর-নারী স্বেচ্ছায় সেই মূল্যের আদান-প্রদান করে। এমন সঙ্গম ক্রিয়ার মধ্যে কোনো লজ্জা বা ভয়ের অবকাশ থাকবে না। সঙ্গম সম্বন্ধে আলোচনা এই মনোভাব নিয়েই করতে হবে। নির্বিকার শিক্ষার্থীর মতো মন নিয়ে পাঠক-পাঠিকাকে এই অধ্যায়টি পড়তে হবে। এর মধ্যে এমন কিছু কথা জানবার থাকতে পারে যা আমাদের দেশের অধিকাংশ মেয়েরা এবং অধিকাংশ পুরুষেরাও জানে না। এই সঙ্গম ক্রিয়ার সম্বন্ধে সব কথাই সকলের পক্ষে সুস্পষ্টভাবে জেনে রাখা দরকার। তাতে প্রত্যেক স্বামী ও স্ত্রী সহজেই পরস্পরকে সুখী করতে পারবে। জীবনে তাদের অশান্তি দেখা দেবে না। আজকাল জানা যাচ্ছে যে বিবাহিত জীবনের যত কিছু অশান্তির মূল এরই মধ্যে লুকিয়ে আছে। উপযুক্ত জ্ঞানলাভ এবং তাঁর প্রয়োগের দ্বারাই সে অশান্তি নিবারিত হতে পারে।

সঙ্গমের নির্দিষ্ট ক্রিয়াটি যে কেমন ভাবে করতে হয় এ কথা জগতের কোন প্রাণী না জানে? এ বিদ্যা কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না, সকলেই নিজের সহজাত প্রবৃত্তির দ্বারা আপনা থেকেই শিখে নেয়। নিত্যই দেখা যায় যে সঙ্গমে নিযুক্ত হওয়া মাত্র প্রত্যেক প্রানী আগে কিছুই না শিখে ঠিক নির্ভুল ভাবে এই ক্রিয়া করে যেতে থাকে।

একজন কুমারী মেয়ের সাথে প্রথম যৌন সঙ্গম কিভাবে করব?  জেনে নিন

সঙ্গম অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে নজর না দেয়া। তবে হযরত ইবনে ওমর (রা.) সংগম, অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে দৃষ্টি দয়া উত্তেজনা বৃদ্ধির সহায়ক বিধায় এটাকে উত্তম বলতেন। (শরহুন নুকায়া ও হিদায়া)

প্রতিরাতেই মিলনের শব্দ শুনি এগুলো আসলেই খুবই লজ্জাজনক…

মিলনের

প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে আজকের প্রশ্নঃ প্রতিরাতেই মিলনের শব্দ শুনি এগুলো আসলেই খুবই লজ্জাজনক।

আমার আইডিটা সম্পূর্ন হাইড রাখবেন প্লিজ…আপনার এই পেইজ আমার অনেক বন্ধু ফলো করে..আমি cls 10 এ পড়ি। আমার বড় বোন একটি পাবলিক ভার্সিটির ১ম বর্ষে পড়ছে..আমরা একই রুমে ঘুমাই..আমার বাবা-মার রুম আমাদের ঠিক পাশেই। সমস্যা হল, রাতে মিলনের সময় দুজনেই খুব জোরে জোরে শব্দ করতে থাকেন। আমাদের রুম থেকে মিলন করার শব্দ গুলো স্পস্ট বোঝা যায়।
আমি আগে মনে করতাম আমার বোন ঘুমিয়ে থাকে , শব্দগুলো শুনতে পায়না। কিন্তু বছর খানেক ধরে বুঝতে পারি আমার বোনও উনাদের মিলনের সময়কার শব্দ গুলো শুনে। কারন প্রায় সবসময় দেখি মিলনের শব্দ থেমে গেলে আমার বড় বোন বাথরুমে চলে যায়।বেশ কিছুক্ষন পর এসে ঘুমিয়ে পরে। ..কিন্তু এই শব্দগুলো আমার মোটেও ভালো লাগেনা..এগুলো আসলেই খুবই লজ্জাজনক..।এখন কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিনা।


আপনার ডক্টরের উত্তরঃ
অনেকে আপনাকে খারাপ ভাববে কিন্তু আমি বুজি এটা সমস্যা।এর আগে আমার কাছে এমন রোগী এসেছিল।তাদের ক্ষেত্রে সত্তিকারের অরথেই তারা প্রথমে মিলনের শব্দ গুলো শুনত।কিন্তু পরবরতিতে তার বাবা মা বাইরে থাক্লেও বা কোন অত্মীয় স্বজনের বারি বেরাতে গেলেও তারা শব্দ শুনতে পেত এবং বাবা মার প্রতি প্রবল ঘৃনা জন্মায়।তাই বোন বলছি জরুরি ভিত্তিতে সাইকোলজিষ্ট দেখান।তবে প্রাথমিক ভাবে আপনি বাবা মার থেকে দূরে ক্যন রুমে থাকেন।ধন্যবাদ

প্রাকৃতিকভাবে মেয়েদের দুধ বড় করার সহজ উপায়!

দুধ


দুধ হলো নারীর অন্যতম আকর্ষণীয় অঙ্গ। নারীর প্রকৃত সুন্দর্য ফুটাতে সঠিক মাপের সুডৌল স্তনের জুড়ি নেই। বড় ব্রেস্ট মেয়েদের যৌন আকর্ষনীয় করে তোলে৷ আজকাল বেশিরভাগ নারী স্তনের গুরুত্ব বোঝে। এখন প্রাকৃতিকভাবেই দুধ বড় করা যায়, সার্জারীর প্রয়োজন তেমন হয় না। সাধারণত ৩৪-৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্ট সাইজ।

দুধ বড় করার ঘরোয়া উপায়

তবে অনেকের ব্রেস্ট আকারে ছোট হয়। তাই বিডি রমণী আপনাদের জন্য আজ নিয়ে এলো প্রাকৃতিকভাবে মেয়েদের দুধ বড় করার সহজ উপায়। যাদের ব্রেস্টের মাপ ৩৪-৩৬ এর নিচে লেখাটি শুধুমাত্র তাদের জন্য। এর আগে আপনারা দেখেছেন মেয়েদের স্তন সুন্দর করার প্রাকৃতিক উপায়

প্রাকৃতিকভাবে মেয়েদের স্তন/ দুধ বড় করার সহজ উপায় নিম্মরুপ

১. আপনাকে মানসিকভাবে অনেক দৃঢ় হতে হবে। মন মরা হয়ে বসে থাকলে স্তনের অবস্থা আরও খারাপ হবে। আপনার বয়স এবং স্বাস্থ্য বাড়ার সাথে সাথে আপনার দুধ এমনিতেই বড় হবে। তাই নিজেকে কিছুটা সময় দিলে ভবিষ্যতে প্রাকৃতিকভাবেই বড় হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া বুকের কিছু ব্যায়াম আছে যেমন: বুকডাউন, বেঞ্চপ্রেস। এছাড়া এসকল ব্যায়াম কোন ইন্সট্রুমেন্ট ছাড়া খালি হাতেও করতে পারেন।
২. স্বামী বা পার্টনারকে বলবেন আপনার দুটো ব্রেস্টেই সমান গুরুত্ব দিতে। সে যেন একটা ব্রেস্ট নিয়ে মেতে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। তাছাড়া আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, আপনার ডান স্তনের চেয়ে বাম দুধ কিছুটা বড়। তবে এ নিয়ে চিন্তিত হবার কোন কারণ নেই। এটি প্রাকৃতিক।
৩. এক বা দুই সপ্তাহ পর পর নিজের ব্রেস্ট মাপুন, টাইট জামাকাপড় পরিধান করুন এবং সঠিক কাপ সাইজের ব্রা পরিধান করুন।
৪. ব্রেস্টে / দুধে নিয়মিত ম্যাসাজ করলেও এটা ধীরে ধীরে বড় হয়। আবার নিয়মিত সেক্স করলে ও তা বড় হয় (বিবাহিতদের জন্য)। তবে এসময় নিজের অর্গ্যাজমের উপর নজর দিতে হবে। অনেকক্ষণ ধরে সেক্স করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং সেক্সে পুরোপুরি তৃপ্ত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। নিজেকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে পুরো সক্রিয় থাকতে হবে। এতে দেহে হরমোনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যা ব্রেস্ট বড় করতে সহায়তা করবে। চাইলে ম্যাসাজের সময় হালকা গরম করে সামান্য সরিষার তেল বা খাঁটি মধু ব্যবহার করতে পারেন।

৫. হাত ঘষে গরম করে দুই হাত দুধের নিচে হালকা চেপে ধরে ডানহাত ঘড়ির কাটার দিকে আর বাম হাতে ঘড়ির কাটার উল্টা দিকের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দুধ  ম্যাসাজ করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১০-১৫ মিনিট এভাবে ১০০ থেকে ৩০০ বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। মাস খানেকের মধ্যে স্তনের সাইজ কিছুটা বাড়তে পারে। সেই সাথে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে, রাতে অনেক ঘুমাতে হবে।
৬. আপনার ব্রেস্টের মাপ যদি ৩৮ এর বেশী হয়ে থাকে তাহলে আপনার ব্রেস্ট বড় করার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ অনেক মেয়ে/মহিলাদের বংশগতভাবেই ব্রেস্ট বড় থাকে।
৭. আপনি যখন থেকে ব্রেস্ট বড় করার জন্য ব্যায়াম ও ম্যাসাজ শুরু করবেন, তখন থেকে ব্রেস্ট এনলার্জিং ক্রিম ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন (যদি ম্যাসাজ শুরুর আগে থেকে ব্রেস্ট এনলার্জিং ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন)। কারণ এ ধরণের ক্রিম সাধারণত কোন কাজে আসে না। এছাড়া ব্রেস্ট বড় করার জন্য কোন পিল সেবন করবেন না। এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। ব্রেস্ট ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে এসব ক্রিম/পিল ব্যাবহার করার ফলে।
৮. মেয়েদের জন্য ব্রেস্টের কিছু স্পেশাল ব্যায়াম আছে যেমন: বেঞ্চ প্রেস, বাটারফ্লাই প্রেস, পুশ-আপ (বুকডাউন) নিয়মিত এগুলো করে স্তনের টিস্যুতে ব্লাড ফ্লো বাড়াতে হবে। এতে বুকের পেশিগুলো সঠিক শেপে এসে স্তনকে সুগঠিক করবে। এটা অনেকটা বডিবিল্ডাররা যেভাবে শরীরের পেশি বৃদ্ধি করে, সেভাবে কাজ করবে। দিনে বেশ কয়েকবার দুইহাত দুইদিকে প্রসারিত করে আবার এক করুন।
৯. বাথরুমে স্নান করার সময় হাত দিয়ে ব্রেস্টের চারপাশ ১০/১৫ মিনিট ম্যাসাজ করবেন। আপনার শরীর যদি রোগা হয় তাহলে ২/৩ মাস সুষম খাদ্য খায়ে শরীরটা ঠিক করেন, দুধ, ডিম, ফল একটু বেশি খেলে উপকার পাবেন। চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করবেন। শরীর বাড়ার সাথে সাথে আপনার দুধ ও বড় হবে। সাথে ব্যায়াম করবেন। ব্যায়াম না করলে শরীর আবার বেশি মোটা হয়ে যেতে পারে। শরীরের প্রতি খেয়াল রাখবেন। ঠিক মত ঘুমাবেন। ম্যাসাজটা চালিয়ে যাবেন। যদি পারেন তাহলে দিনে দুই বার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আলতো ভাবে টিপবেন বা ম্যাসাজ করবেন। আর এইসময় কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করতে হবে। নইলে ব্রেস্ট ঝুলে যেতে পারে।
১০. এছাড়া ব্রেস্ট/ দুধ বড় করার জন্য ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট সার্জারী রয়েছে। এটি ন্যাচারাল নয় বলে না করাই ভালো এবং এ পদ্বতিটি ব্যয়বহুল।



মেয়েদের শরীর নরম হয় কেন জেনে নিন

মেয়েদের শরীর


নারী মানেই কোমল, পেলব একটি শরীর। মেয়েদের শরীর নরম শুধুমাত্র কোনো ধারণা নয়, বাস্তবেও তাই। মেয়েদের শরীর সাধারণত ছেলেদের তুলনায় অনেক অনেক বেশি নরম। কিন্তু এমনটা কেন? এর পেছনে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যাই বা কী? বিজ্ঞান বলছে, মূলত তিনটি বিষয়ের জন্য এমনটা হয়— জিন, হরমোন এবং জীবনযাপনের ধরন মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রাধান্যের জন্য মেয়েদের ত্বক পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি তৈলাক্ত হয়।

কি কারণে মেয়েদের শরীর নরম হয়

ত্বকের কোমল ভাব অনেক বেশি থাকে। এ কারণে সামগ্রিকভাবেই মেয়েদের শরীর নরম লাগে। মেয়েদের কোমল শরীরের পেছনের মূল নিয়ামক কিন্তু জিন। আদিম মানব এবং মানবীরা যতদিন একসঙ্গে শিকার করেছে ততদিন নারী-পুরুষ দুই শরীরই কঠিন এবং পেশীবহুল ছিল।
কৃষিভিত্তিক সভ্যতার সূত্রপাতের সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের ভূমিকা পাল্টে যেতে থাকে। অত্যন্ত কঠিন শারীরিক পরিশ্রমের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত হালকা বাড়ির কাজেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠে নারী শরীর। এ অভ্যাসই জিনবাহিত হয়েছে প্রায় দু’হাজার বছর ধরে। তাই আদিম মানবীর জিনগঠনের সঙ্গে আধুনিক মানবীদের জিনগঠনে বহু পার্থক্য, বিশেষ করে শারীরিক কোমলতার নিরিখে।



যুগ যুগ ধরে এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মে বাহিত হওয়া জিনই মেয়েদের শরীরের কোমলতার মূল কারণ। এর কারণেই মেয়েদের মাংসপেশীতে ফ্যাটি টিস্যুর পরিমাণ ছেলেদের তুলনায় অনেক বেশি।
মেয়েদের শরীরের হাড় ছেলেদের তুলনায় অনেক বেশি পাতলা হয়। এ কারণেও মেয়েদের শরীর অনেক বেশি নরম লাগে।

মেয়েদের পেটের নাভি সম্পর্কে আশ্চর্যজনক কিছু তথ্য জেনে নিন

কী ধরনের জীবনযাপন করেন একজন নারী তার উপরেও নির্ভর করে শরীর কতটা কোমল থাকবে। যে নারী মাউন্টেনিয়ারিং করেন তার তুলনায় যিনি হোমমেকার তার শারীরিক কোমলতা স্বাভাবিকভাবেই বেশি হবে।
মূলত জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই মেয়েদের শরীর নরম এবং পুরুষদের শরীর অনেক বেশি শক্ত হয়ে থাকে। যদিও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজ মানুষ হিসেবে নারী পুরুষের একই রকম তবুও হরমোনের এবং জিনগত পার্থক্যের কারণে এগুলোর গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কিছুটা ভিন্ন। এছাড়া নারী পুরুষের লাইফ স্টাইলের ভিন্নতার কারণেও ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়।
শরীরে টেস্টোস্টেরনের আধিক্যের কারণে পুরুষের শরীর নারীদের তুলনায় শক্ত হয়ে থাকে। এর ফলে পেশী ফুলে যায় এবং শরীর টানটান হয়ে থাকে।
এছাড়া পেশীতে থাকা ফাইবারের ভিন্নতার কারণেও মেয়েদের তুলনায় পুরুষদের শরীর শক্ত হয়ে থাকে। পেশীর গঠন কাঠামো নারী পুরুষের একই রকম থাকলেও বংশগত বৈশিষ্ট্য এবং প্রতিদিদের দৈহিক পরিশ্রমের কারণে ফাইবারের কম বেশি হয়ে থাকে। এই ভিন্নতার কারণেই নারীদের শরীর নরম এবং পুরুষের শরীর শক্ত হয়ে থাকে।

সহবাস করার আগে কী খাবেন, কী খাবেন না!



শরীর বুঝে সব। কিন্তু কখনও ভেবেছেন কি, সহবাস -এর আগে কী খাওয়া উচিত, আর কী নয় । আপনি শুয়ে বসে থাকলে ক্ষিদে কম পাবে দৈহিক শ্রম হয় এমন কাজ করলে ক্ষিদের পরিমাণটা তুলনামূলভাবে বেশি হবে।সহবাস করলেও কিন্তু শরীর অধিক পরিশ্রম হয়। সহবাসকালে শরীর থেকে শীদের দিনেও ঘাম বের হওয়টা অবাক করার মত কিছু নয়। ভালো খাবার  শরীরগতিকের সেই তত্ত্ব জেনে নিন এবার।

১. প্লেন টোস্ট চলতে পারে। খুব বেশি হলে একটু মাখন। পাঁউরুটির অন্য কিছু নয়।
২. ডিমের সাদা অংশ চলতে পারে। সসেজ বা সালামি একেবারেই নয়।


৩. কফি ভুলে যান। লিকার চা হতে পারে সঙ্গী।
৪. রাতে মাছ বা চিকেন চলতে পারে। অন্য কোনও মাংস নয়।
৫. ব্রোকোলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি নয়, গ্রিন সালাড, শশা, মাশরুম বা টোম্যাটো খান।
৬. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নয়। আলু খেতে হলে সিদ্ধই ভাল।
৭. এগ, চিকেন, মাটন— রোল, বিরিয়ানি কিছুই চলবে না। মাংস খেলে একেবারে হালকা করে খান।
৮. ওয়াইন ভাল। টেকিলা চলবে। কিন্তু সুরা-গোত্রের আর কিছু নয়।
১০. সহবাস -এর আগে পপ কর্ন খাওয়া ভাল।
১১. মুখের জন্য চিউইং গাম নৈব নৈব চ। মাউথওয়াশ হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বিকল্প।
১২. আইসক্রিম খেতে পারেন, তবে তা হতে হবে লো ফ্যাট।


নগ্ন নারী দেহ যখন খাবার প্লেট

নারী দেহ

নগ্ন নারী দেহ যখন খাবার প্লেট! শিরোনামটা পড়লেই কেমন যেন হতবাক হতে হচ্ছে তাই না? অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এক অভিজাত হোটেলে খাবার প্লেট হিসেবে নগ্ন নারীদের ব্যবহার করা হয়েছে। সিডনির ‘ক্রুজ বার’ নামে এক পার্টির আয়োজন উপলক্ষ্যে এমন অভিনব আয়োজন করা হয়। পার্টিতে সমাজের বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।


নগ্ন নারী দেহ যখন খাবার প্লেট

রাত ৯ টার দিকে যথা সময়েই হাজির হন অতিথিরা। কিন্তু এই পার্টিতে এসে আজব এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয় তাদের। বিশেষ করে খাবারের টেবিলে চোখ যেতেই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন তারা।


প্রতিটি খাবারের টেবিলে একের পর এক শুয়ে আছেন নগ্ন নারী! খাবারের প্লেট হিসেবে তাদের ব্যবহার করা হয়েছে। আর নগ্ন নারীদের বুক ও উরুসন্ধির ওপর সাজিয়ে রাখা হয়েছে আম, কলা, আপেলসহ হরেক রকম ফল। সেখান থেকেই ফল ও খাবার তুলে খেতে হবে অতিথিদের!
তবে আনন্দের বদলে সিডনির প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের নগ্ন নারী দেহের উপর খাবারের এই অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত অতিথিদের প্রতিক্রিয়ায় ফুটে ওঠে চরম বিরক্তি, রাগ আর ঘৃণা। অতিথিরা তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন তীব্র ভাষায়।
নিউ ক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেলানি জেমস বলেন, ‘ নগ্ন নারী দেহে খাবার এমন আপ্যায়ন আশাই করা যায় না। হয়তো প্রচারের দিকে থেকে বিষয়টি সেরা। তবুও কীভাবে প্রচার করছি সেটা ভাবা প্রয়োজন।’

Sunday

দ্রুত বীর্যপাত রোধ করব কি করে?

দ্রুত বীর্যপাত

প্রথম প্রথম সব মানুষের ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞতা, লজ্জা, নিজের উত্তেজনা কে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা ইত্যাদির কারনে দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে। চিন্তার কিছু নেই। সময় নিন, তাড়াহুড়া করে মিলিত হবেন না। এই মুহূর্তে আপনার চিকিৎসকের কাছে যাবার প্রয়োজন নেই বলেই মনে হয়। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। আপনার যে সমস্যা এটা দ্রুত বীর্যপাত না, সেটা খুবি স্বাভাবিক।


সবার আগে দ্রুত বীর্যপাত বলতে আপনি কি বোঝান তা বুঝতে হবে । একটি ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও স্বাভাবিক বীর্যপাত বলা হয় । আপনি তখনি আপনার এ বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাৎ ১-৫ মিনিটে বীর্যপাত হবে । কেবল তখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনার দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছে। চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক ।
অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা । মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার । এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই বা দ্রুত বীর্যপাতের জন্য দায়ী নয়।
এই কথাটি বলার কারণ খুব ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে । এখানে একটি থিওরি আছে ।বোঝানোর চেষ্টা করছি । ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যসি ২০ মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে , না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরা মাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় ।



এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই , আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার দ্রুত বীর্যপাত হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল , অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়ে গেল । এগুলো হল সমস্যা। সলিউশনে যাই এবার আমরা ।
একটি ব্যপার স্বাভাবিক । ধরুন আপনি অনেকদিন সেক্স করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক , এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । এটি আপনার অক্ষমতা নয় । এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন –
– হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।
– এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।
– একটি পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়ে ধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।
– ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বীর্যপাত হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না ।
– একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে পেনিস কে উত্তেজিত করে বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে । এটি সপ্তাহে একবারের বেশি না করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে

স্ত্রীকে বিছানায় দ্রুত উত্তেজিত করার কৌশল



বিষয়টি অনেকের কাছেই অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। মনে হতে পারে যে এই ধরনের প্রশ্নের আসলে কোনো আবশ্যকতা নেই। সত্যি কথা বলতে আমরা অনেকেই জানি না যে দাম্পত্য জীবনে ভাঙ্গন তৈরি করতে অনেকটাই দায়ী এই শারীরিক মিলনে অতৃপ্ততা। স্বামী স্ত্রী ইভয়েই যদি শারীরিক মিলনে অতৃপ্ত থাকেন তাহলে সংসারে সুখ বিষয়টি ধীরে ধীরে নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। শারীরিক মিলনে পুরুষদের যেমন তৃপ্তির কিছুটা বিষয় রয়েছে তেমনি নারীদের তৃপ্তির বিষয়টিও অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত।


নতুন বিয়ে করেছি সমস্যা হলো সহবাসের সময় লিঙ্গ উত্তেজিত হয়না, কি করব?


এমন অনেক শারীরিক মিলনে দেখা যায় নারীদের উত্তেজনার মাত্রা অনেক কম বা শিথিল অর্থাৎ অনেক দেরিতে তারা উত্তেজিত হয়ে থাকেন। এর কারণ অন্বেষণ করে দেখা যায় যে পুরুষদের কিছু অপারগতা এর জন্য দায়ী। যদিও সাধারণভাবে দেখা যায় যে যৌন মিলনে নারীদের উত্তেজনাটা পুরুষের মত ততটা তাড়াতাড়ি আসে না। তাদেরকে নানা কৌশলের মাধ্যমে উত্তেজিত করে নিতে হয়। তাই যে পুরুষ যতো বেশি ঐ সকল বিষয়ে পারদর্শী তারা তত দ্রুত নারীদের যৌন মিলনের জন্য উত্তেজিত করে তুলতে পারেন। এটাকে একটা আর্টও বলা যেতে পারে। আসুন এই বিষয়ে কিছু কৌশল সম্পর্কে জেনে নিই।


নারীকে দ্রুত উত্তেজিত করার কিছু কৌশল :
– বেশির ভাগ নারী মিলনপুর্ব সিঙারে সরাসরি যৌন মিলনের চেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকেন। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন। এটা আপনি এবং আপনার পার্টনার দু’জনের জন্যই অধিক সুখকর।

নারীকে যৌন উত্তেজনায় উত্তেজিত করার চারটি গোপন সুত্র

– শারীরিক মিলনকালে অথবা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভুল নয়। সঙ্গীর উত্তেজক কর্মকান্ডের সাথে আপনার কল্পনা মিশিয়ে এক সুখকর আবেশে জড়াতে পারেন। কল্পনার রাজ্যে সব পুরুষ রাজা আর তার সঙ্গী রাণীর আসনে থাকে।
– আমাদের দেশে এখনো সেক্স টয় বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ। তাই নারীকে উত্তেজিত করার জন্য ভাইব্রেটর এর বিকল্প আপনার মধ্যমা আঙুলী দিয়ে তার যোনীর ভিতর জি-স্পট (যৌনাঙ্গের কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কোন অভ্যাস যেন স্থায়ী না হয়ে যায়।
– সরাসরি যৌনমিলনের আগে কিছুটা সময় নিয়ে দুজন দুজনকে ভালোবাসুন। আবেগে আপ্লুত হয়ে আদর করুন। আপনার সঙ্গীর আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে পেনিট্রেশানের আগে আরো কিছু সুখ আদান প্রদান করুন। দীর্ঘসময় আদর আদান প্রদানের মাধ্যমে নারী সঙ্গিীটিকে উত্তেজিত করুন।

মেয়েদের যোনিতে বীর্যপাত করলে মেয়েরা আনন্দ পায় কি?

বীর্যপাত

এককথায়- হ্যাঁ, পায়। পুরুষের বীর্যপাতের সময় নারীরও সারাদেহ একটা নেশার মত আবেশ ভর করে। যা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য আনন্দদায়ক বটে। এটা বীর্যপাতের প্রতিক্রিয়া। কিন্তু পুরুষাঙ্গের ঘর্ষণজনিত আনন্দ কিংবা চরম তৃপ্তির আনন্দ, আর এ আনন্দ ঠিক এক নয়। তবে একটা আরেকটারই পরিণতি।

শুক্রপাতের সময় শুক্রপাত জনিত সিক্ততা ও উত্তাপে এমন একটি প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় যার ফলে সূক্ষ্ম ও নিবিড় এক পুলকে নারীর চোখ বুঝে আসে। নারী তখন পুরুষকে দৃঢ়ভাবে জড়িয়ে ধরে চুপ করে কিছুক্ষণ সেই পুলকের শিহরণ অনুভব করতে চায়। এ সময় পুরুষের উচিৎ কিছু সময় চুপ করে সঙ্গিনীকে জড়িয়ে থাকা।
বীর্যপাতের পর সঙ্গে সঙ্গে সরে পড়া কোনোভাই ঠিক নয় পুরুষের জন্য। এটা সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার মতো পরিবেশ ও নারীর মানসিকতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সহবাসে এটি গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতে হবে।